HomeFootball historyManchester City: ইতিহাস, স্টেডিয়াম, সাফল্য, খেলোয়াড় ও ২০২৬ সালের বর্তমান অবস্থা

Manchester City: ইতিহাস, স্টেডিয়াম, সাফল্য, খেলোয়াড় ও ২০২৬ সালের বর্তমান অবস্থা

Manchester City পরিচিতি ও ক্লাবের প্রাথমিক তথ্য

Manchester City Football Club ইংল্যান্ডের অন্যতম পরিচিত ফুটবল ক্লাব। ক্লাবটির বাড়ি ম্যানচেস্টার শহরে এবং বর্তমানে তারা ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা Premier League-এ খেলছে। সমর্থকদের কাছে দলটি Manchester City, Man City বা শুধু City নামে পরিচিত। এছাড়া The CitizensThe Sky Blues নামেও ক্লাবটিকে ডাকা হয়। আকাশি নীল জার্সি Manchester City-এর সবচেয়ে পরিচিত পরিচয়গুলোর একটি।

Manchester City কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

Manchester City-এর ইতিহাস শুরু হয় ১৮৮০ সালে। তখন ক্লাবটির নাম ছিল St. Mark’s (West Gorton)। পরে নাম পরিবর্তন করে Ardwick Association Football Club করা হয়। এরপর ১৬ এপ্রিল ১৮৯৪ সালে ক্লাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যানচেস্টার সিটি নাম গ্রহণ করে। তাই বর্তমান নামটি ১৮৯৪ সালে এলেও এর শিকড় ১৮৮০ সাল পর্যন্ত পুরোনো।

Manchester City কোন শহরের ক্লাব?

ম্যানচেস্টার সিটি ইংল্যান্ডের Manchester শহরের ক্লাব। একই শহরের আরেক বিখ্যাত দল Manchester United। দুই দলের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বলা হয় Manchester Derby। এই ম্যাচ ম্যানচেস্টারের ফুটবল সমর্থকদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

Manchester City-এর বর্তমান ঘরের মাঠ হলো Etihad Stadium। ক্লাবটি ২০০৩ সালে Maine Road ছেড়ে এই নতুন স্টেডিয়ামে চলে আসে। স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা প্রায় ৬১ হাজার। এর আশপাশে গড়ে উঠেছে Etihad Campus, যেখানে ক্লাবের প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য ফুটবল কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন:

Manchester City-এর মালিক কে?

Khaldoon Al Mubarak

বর্তমানে Manchester City-এর মালিকানা City Football Group-এর অধীনে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ক্লাবটির মালিক হিসেবে City Football Group Limited এবং চেয়ারম্যান হিসেবে Khaldoon Al Mubarak-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ২০০৮ সালে মালিকানা পরিবর্তনের পর ক্লাবটির আর্থিক সক্ষমতা ও পরিচালনার ধরনে বড় পরিবর্তন আসে। এরপর বড় খেলোয়াড় দলে আনা এবং আধুনিক অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে দলটি নিজেদের অবস্থান শক্ত করে।

Manchester City-এর বড় সাফল্য

২০০৮ সালের পর Manchester City-এর সাফল্য দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০১১ সালে FA Cup এবং ২০১২ সালে Premier League জয় ছিল এই নতুন সময়ের বড় সাফল্য। এরপর Pep Guardiola-এর অধীনে দলটি আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ২০১৭–১৮ মৌসুমে Manchester City Premier League জেতার পাশাপাশি ১০০ পয়েন্ট সংগ্রহ করে।

২০১৮–১৯ মৌসুমে তারা Premier League, FA Cup ও League Cup জিতে ঘরোয়া ট্রেবল সম্পন্ন করে। এরপর ২০২৩ সালে ম্যানচেস্টার সিটি প্রথমবার UEFA Champions League জেতে। একই মৌসুমে Premier League ও FA Cup জেতায় তারা ঐতিহাসিক ট্রেবলও পূর্ণ করে।

২০২৬ সালে Manchester City

২০২৬ সালে ম্যানচেস্টার সিটিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী Enzo Maresca বর্তমানে দলের ম্যানেজার। এর আগে দীর্ঘ সময় Pep Guardiola-এর অধীনে দলটি বড় সাফল্য পেয়েছে। ২০২৫–২৬ মৌসুমে Manchester City Premier League-এ ২০ দলের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে।

সব মিলিয়ে দীর্ঘ ইতিহাস, বড় সাফল্য, আধুনিক স্টেডিয়াম এবং Manchester Derby-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ম্যানচেস্টার সিটি এখন বিশ্বের অন্যতম আলোচিত ফুটবল ক্লাব।

Manchester City-এর ইতিহাস: শুরু থেকে প্রথম সাফল্য

Manchester City-এর ইতিহাস শুরু হয়েছিল আজ থেকে অনেক বছর আগে। ১৮৮০ সালে Manchester-এর West Gorton এলাকায় St. Mark’s (West Gorton) নামে একটি স্থানীয় দল হিসেবে ক্লাবটির যাত্রা শুরু হয়। তখন ফুটবল এখনকার মতো জনপ্রিয় বা বড় ব্যবসা ছিল না। ছোট পরিসরে স্থানীয় খেলোয়াড় ও মানুষের উদ্যোগেই দলটি এগিয়ে যাচ্ছিল।

পরবর্তীতে ক্লাবটির নাম বদলে Ardwick Association Football Club রাখা হয়। এই সময় দলটি আরও সংগঠিত হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে নিজেদের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করে। তবে Ardwick নামটিও বেশি দিন থাকেনি।

১৬ এপ্রিল ১৮৯৪ সালে ক্লাবটি স্থায়ীভাবে Manchester City Football Club নাম গ্রহণ করে। এই নামের মাধ্যমে ম্যানচেস্টার শহরের সঙ্গে ক্লাবটির পরিচয় আরও শক্তভাবে যুক্ত হয়। এরপর দলটি ধীরে ধীরে ইংল্যান্ডের সংগঠিত ফুটবলের দিকে এগিয়ে যায়।

Football League ও প্রথম বড় সাফল্য

Manchester City-এর জন্য Football League-এ যোগ দেওয়া ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এতে স্থানীয় ফুটবলের বাইরে নিয়মিত বড় প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ তৈরি হয়।

এরপর আসে ১৮৯৯ সাল। সেই বছর Manchester City Second Division জিতে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ স্তরের First Division-এ উঠে আসে। এটি ছিল ক্লাবটির জন্য বড় অগ্রগতি।

এর মাত্র কয়েক বছর পর আসে প্রথম বড় ট্রফি। ১৯০৪ সালের FA Cup ফাইনালে Manchester City, Bolton Wanderers-কে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে। এটিই ছিল ক্লাবটির ইতিহাসের প্রথম বড় ট্রফি। একই সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটি হয়ে ওঠে Manchester শহরের প্রথম ক্লাব, যারা বড় কোনো ট্রফি জিতেছিল।

১৯৩০-এর দশকে নতুন সাফল্য

১৯৩০-এর দশকে ম্যানচেস্টার সিটি আবারও বড় সাফল্য পায়। ১৯৩৪ সালে FA Cup ফাইনালে তারা Portsmouth-কে ২–১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জেতে।

এরপর আসে আরও বড় অর্জন। ১৯৩৬–৩৭ মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটি প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের শিরোপা জেতে। দীর্ঘ লিগ মৌসুমে সবার ওপরে থেকে এই সাফল্য ক্লাবটির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় তৈরি করে।

তবে পরের বছরই ঘটে অবাক করার মতো ঘটনা। ১৯৩৭ সালে লীগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ১৯৩৮ সালে Manchester City First Division থেকে অবনমিত হয়। এক মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন, আর পরের মৌসুমে নিচের বিভাগে—ক্লাবটির ইতিহাসে এটি ছিল বড় উত্থান-পতনের একটি উদাহরণ।

Maine Road ও Bert Trautmann

Manchester City-এর পুরোনো ইতিহাসে Maine Road-এর নামও গুরুত্বপূর্ণ। বহু বছর এটি ছিল ক্লাবটির ঘরের মাঠ। অসংখ্য ম্যাচ, জয়-পরাজয় এবং সমর্থকদের স্মৃতি এই মাঠকে ঘিরে তৈরি হয়েছে।

এরপর ১৯৫৬ সালের FA Cup ফাইনাল Manchester City-এর ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নেয়। Birmingham City-কে ৩–১ গোলে হারিয়ে তারা ট্রফি জেতে। তবে ম্যাচটির সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল গোলরক্ষক Bert Trautmann-এর চোট।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পরও Trautmann গোলপোস্টে থেকে ম্যাচ শেষ করেন। পরে জানা যায়, তাঁর ঘাড়ের হাড় ভেঙে গিয়েছিল। তাঁর সাহস ও পারফরম্যান্সের কারণে এই FA Cup ফাইনাল আজও Manchester City-এর ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা।

St. Mark’s থেকে ম্যানচেস্টার সিটি হয়ে ওঠার পথে ক্লাবটি যেমন সাফল্য পেয়েছে, তেমনি কঠিন সময়ও পার করেছে। Football League, FA Cup ও লীগ শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তারা নিজেদের পরিচিতি তৈরি করে।

Manchester City-এর প্রথম স্বর্ণযুগ, পতন ও কঠিন সময়

Manchester City-এর ইতিহাসে ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৭০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত সময়টি ছিল দারুণ সাফল্যের। এই সময় Joe Mercer ও Malcolm Allison-এর অধীনে ক্লাবটি দ্বিতীয় বিভাগ থেকে উঠে এসে ইংল্যান্ডের অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়।

১৯৬৫ সালের গ্রীষ্মে Mercer ও Allison Manchester City-এর দায়িত্ব নেন। তাঁদের হাত ধরে দলে বড় পরিবর্তন আসে। Mike Summerbee ও Colin Bell-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা দলে যোগ দেন। এর ফলও দ্রুত দেখা যায়। ১৯৬৫–৬৬ মৌসুমে Manchester City Second Division-এর শিরোপা জিতে আবার ইংল্যান্ডের শীর্ষ পর্যায়ে ফিরে আসে।

এর মাত্র দুই মৌসুম পর, ১৯৬৭–৬৮ মৌসুমে আসে আরও বড় সাফল্য। শেষ ম্যাচে Newcastle United-কে ৪–৩ গোলে হারিয়ে Manchester City লীগ শিরোপা নিশ্চিত করে। Colin Bell ও Mike Summerbee ছিলেন সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তাঁদের সঙ্গে Mercer ও Allison মিলে একটি আত্মবিশ্বাসী দল গড়ে তুলেছিলেন।

১৯৬৯ সালে Manchester City FA Cup জেতে। এরপর ১৯৭০ সালেও সাফল্যের ধারা ধরে রাখে। ওই বছর তারা League Cup জয়ের পাশাপাশি European Cup Winners’ Cup-ও জেতে। ফাইনালে Górnik Zabrze-কে ২–১ গোলে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটি প্রথম ইউরোপীয় ট্রফি হাতে তোলে। ১৯৭০ সালের এই সাফল্য ক্লাবটির ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নেয়।

তবে ১৯৭০-এর দশকের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে থাকে। ১৯৮০-এর দশকে দলের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার অভাব দেখা দেয়। ১৯৮১ সালে FA Cup-এর ফাইনালে উঠেও ম্যানচেস্টার সিটি হেরে যায়। এরপর ক্লাবটি ধীরে ধীরে শীর্ষ পর্যায় থেকে দূরে সরে যেতে থাকে।

১৯৯৫–৯৬ মৌসুমে Manchester City Premier League থেকে অবনমিত হয়। কিন্তু কঠিন সময় তখনও শেষ হয়নি। ১৯৯৭–৯৮ মৌসুমে ক্লাবটি ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্তরে নেমে যায়। এটি Manchester City-এর ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোর একটি।

তবে সেখান থেকেই শুরু হয় ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। ১৯৯৮–৯৯ মৌসুমে Wembley-তে Gillingham-এর বিপক্ষে প্লে-অফ ফাইনাল খেলে ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচ ২–২ গোলে শেষ হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়ে তারা দ্বিতীয় স্তরে ফিরে আসে। পরের মৌসুমেই Premier League-এ ওঠে দলটি। যদিও ২০০০–০১ মৌসুম শেষে আবার অবনমন হয়, ২০০১–০২ মৌসুমে Division One-এর শিরোপা জিতে তারা আবার Premier League-এ ফিরে আসে। ২০০২–০৩ মৌসুমের পর থেকে আর Premier League থেকে অবনমিত হয়নি ম্যানচেস্টার সিটি।

এই সময় ক্লাবের ঘরের মাঠেও বড় পরিবর্তন আসে। দীর্ঘদিনের Maine Road ছেড়ে ২০০২–০৩ মৌসুমের শেষে ম্যানচেস্টার সিটি নতুন City of Manchester Stadium-এ চলে যায়। নতুন মাঠে Barcelona-এর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২–১ গোলে জয় পায় তারা। ২০১১ সালে স্টেডিয়ামটির নাম হয় Etihad Stadium।

১৯৯০-এর দশকের কঠিন সময় কাটিয়ে Premier League-এ ফিরে আসার পর ম্যানচেস্টার সিটি নতুন স্টেডিয়ামেও যাত্রা শুরু করে। ২০০৮ সালের মালিকানা পরিবর্তনের পর ক্লাবটির অবস্থায় আরও বড় পরিবর্তন আসে।

২০০৮-এর পরিবর্তন থেকে Pep Guardiola যুগ

২০০৮ সাল থেকে Manchester City-এর অবস্থায় বড় পরিবর্তন দেখা যায়। ওই বছর নতুন মালিকানা আসার পর ক্লাবটিতে বড় বিনিয়োগ শুরু হয়। ভালো খেলোয়াড় আনা, দল শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদে বড় ক্লাব হওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ধীরে ধীরে ম্যানচেস্টার সিটি ইংল্যান্ডের শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত লড়াই করার অবস্থায় চলে আসে।

নতুন মালিকানা ও Robinho-এর আগমন

Robinho

২০০৮ সালের আগস্টে Abu Dhabi United Group Manchester City-এর মালিকানা নেয়। এরপর ক্লাবের দলবদলে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। একই বছরের ১ সেপ্টেম্বর Real Madrid থেকে ব্রাজিলিয়ান তারকা Robinho-কে প্রায় ৩২.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে আনা হয়। তখন এটি ব্রিটিশ ফুটবলের দলবদলের রেকর্ড ছিল।

Robinho-এর আগমন ফুটবল বিশ্বে ম্যানচেস্টার সিটিকে নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করে। তবে প্রথম মৌসুমেই বড় সাফল্য আসেনি। দলটি Premier League-এ দশম হয়। এরপর ২০০৯ সালে Gareth Barry, Carlos Tevez, Emmanuel Adebayor, Kolo Touré, Joleon Lescott ও Roque Santa Cruz-এর মতো খেলোয়াড় দলে যোগ দেন। একই বছরের ডিসেম্বরে Roberto Mancini কোচের দায়িত্ব নেন।

২০১১ FA Cup ও ২০১২ Premier League

Mancini-এর অধীনে Manchester City-এর বড় সাফল্যের শুরু হয় ২০১১ সালে। সেমিফাইনালে Manchester United-কে হারিয়ে FA Cup-এর ফাইনালে ওঠে দলটি। পরে Stoke City-কে ১–০ গোলে হারিয়ে প্রায় ৩৫ বছর পর বড় ট্রফি জেতে।

এরপর আসে আরও বড় সাফল্য। ২০১১–১২ মৌসুমে Manchester City Premier League শিরোপা জেতে। শেষ ম্যাচে Queens Park Rangers-এর বিপক্ষে নাটকীয় জয়েই শিরোপা নিশ্চিত হয়। ম্যাচের শেষদিকে Edin Džeko সমতা ফেরানোর পর অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে Sergio Agüero গোল করেন। ম্যানচেস্টার সিটি ৩–২ গোলে জিতে যায়। সেই গোল আজও ক্লাবটির ইতিহাসের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি।

Pellegrini-এর সময়

২০১৩ সালে Manuel Pellegrini Manchester City-এর দায়িত্ব নেন। তাঁর প্রথম মৌসুমেই দলটি Premier League ও League Cup জেতে। ২০১৩–১৪ মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটি ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা জেতে, মাত্র দুই পয়েন্ট পিছনে ছিল Liverpool।

Pellegrini-এর সময় ম্যানচেস্টার সিটি আরও একটি League Cup জেতে। ২০১৫–১৬ মৌসুমে Liverpool-এর বিপক্ষে ফাইনাল ১–১ গোলে শেষ হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় পায় দলটি।

Pep Guardiola-এর আগমন

Pep Guardiola

২০১৬ সালে Manchester City-এর কোচ হন Pep Guardiola। প্রথম মৌসুমে কোনো ট্রফি না পেলেও তিনি দলের খেলার ধরনে বড় পরিবর্তন আনেন। এরপর ২০১৭–১৮ মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটি ১০০ পয়েন্ট নিয়ে Premier League জেতে। এটি Premier League-এর ইতিহাসে প্রথম ১০০ পয়েন্টের মৌসুম।

পরের মৌসুমে আসে আরও বড় সাফল্য। ২০১৮–১৯ সালে Manchester City Premier League, FA Cup ও League Cup জিতে ইংলিশ পুরুষ ফুটবলে ঐতিহাসিক ঘরোয়া ট্রেবল সম্পন্ন করে। এরপর ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা চারবার League Cup জেতেও নিজেদের শক্তি দেখায়।

২০২০–২১ মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটি প্রথমবার Champions League-এর ফাইনালে ওঠে। তবে Chelsea-এর কাছে ১–০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয়।

অবশেষে ২০২৩ সালে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। Inter Milan-কে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটি প্রথমবার Champions League জেতে। একই মৌসুমে Premier League ও FA Cup-ও জেতায় ক্লাবটি ইউরোপীয় ট্রেবল সম্পন্ন করে।

২০০৮ সালের পর Guardiola-এর সময় পর্যন্ত ম্যানচেস্টার সিটি একের পর এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বিনিয়োগ, ভালো খেলোয়াড়, কোচের পরিবর্তন এবং মাঠের ধারাবাহিক সাফল্য মিলিয়ে ক্লাবটি ইংল্যান্ড ও ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়।

Champions League জয়, Treble ও Manchester City-এর আধুনিক সাফল্য

Manchester City-এর জন্য ২০২২–২৩ মৌসুমটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। Premier League ও FA Cup জেতার পর ক্লাবটির সামনে ছিল সবচেয়ে বড় লক্ষ্য—UEFA Champions League। ২০২১ সালে ফাইনালে Chelsea-এর কাছে হারার পরও তারা চেষ্টা চালিয়ে যায়। অবশেষে ২০২৩ সালে সেই অপেক্ষার শেষ হয়।

Champions League-এর ফাইনালে Manchester City-এর প্রতিপক্ষ ছিল Inter Milan। ১০ জুন ২০২৩, ইস্তাম্বুলের Atatürk Olympic Stadium-এ অনুষ্ঠিত ম্যাচে Rodri-এর ৬৮ মিনিটের গোল ম্যানচেস্টার সিটিকে ১–০ ব্যবধানে জয় এনে দেয়। এর মাধ্যমে ক্লাবটি ইতিহাসে প্রথমবার Champions League জেতে।

ফাইনালের আগে Manchester City Bayern Munich ও Real Madrid-এর মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে আসে। কোয়ার্টার ফাইনালে Bayern Munich-কে দুই লেগ মিলিয়ে ৪–১ এবং সেমিফাইনালে Real Madrid-কে ৫–১ গোলে হারায় তারা। পুরো আসরে দলটির পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত। Erling Haaland ১২ গোল করে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলদাতা হন।

Champions League জয়ের আগে Manchester City Premier League ও FA Cup-ও জিতেছিল। FA Cup-এর ফাইনালে তারা Manchester United-কে ২–১ গোলে হারায়। ফলে Inter Milan-এর বিপক্ষে জয়ের পর Manchester City Premier League, FA Cup ও Champions League—তিনটি ট্রফি জিতে European Treble সম্পূর্ণ করে। ইংল্যান্ডের পুরুষ ফুটবলে Manchester United-এর পর এটি ছিল দ্বিতীয়বারের মতো এমন সাফল্য।

এই সাফল্য Guardiola-এর ক্যারিয়ারেও আলাদা গুরুত্ব পায়। Barcelona-এর পর Manchester City-এর সঙ্গেও Treble জিতে তিনি দুই ভিন্ন ক্লাবের হয়ে এই কীর্তি গড়া প্রথম কোচ হন।

২০২৩–২৪ মৌসুমেও ম্যানচেস্টার সিটি দুর্দান্ত সাফল্য ধরে রাখে। তারা টানা চতুর্থ Premier League শিরোপা জিতে ইংলিশ ফুটবলে নতুন রেকর্ড তৈরি করে। একই মৌসুমে UEFA Super Cup-এ Sevilla-কে পেনাল্টিতে এবং FIFA Club World Cup-এর ফাইনালে Fluminense-কে ৪–০ গোলে হারিয়ে আরও দুটি ট্রফি জেতে।

তবে এরপর সময়টা আগের মতো সহজ ছিল না। ২০২৪–২৫ মৌসুমে Manchester City Premier League-এ তৃতীয় হয়। ২০২৫–২৬ মৌসুমে তারা ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে। তবে এই মৌসুমে League Cup ও FA Cup জিতে ঘরোয়া সাফল্য ধরে রাখে। League Cup-এর ফাইনালে Arsenal-কে ২–০ এবং FA Cup-এর ফাইনালে Chelsea-কে ১–০ গোলে হারায় তারা।

২০২৬ সালে ম্যানচেস্টার সিটিতে বড় পরিবর্তন আসে। দীর্ঘ ১০ বছর দায়িত্ব পালনের পর Pep Guardiola ক্লাব ছাড়েন। তাঁর জায়গায় ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেন Enzo Maresca। Guardiola-এর সময়ে Premier League, Champions League, FA Cup, League Cup, UEFA Super Cup ও FIFA Club World Cupসহ অসংখ্য বড় ট্রফি জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি।

Maresca-এর প্রথম কাজ হবে দলের আগের সাফল্য ধরে রাখা। Premier League শিরোপা আবার ফিরিয়ে আনা এবং Champions League-এর লড়াইয়ে শক্ত অবস্থান ধরে রাখাই হবে নতুন যুগের বড় লক্ষ্য।

গত দুই দশকে Manchester City-এর অবস্থানে বড় পরিবর্তন এসেছে। ইংল্যান্ডের শক্তিশালী দল হওয়ার পাশাপাশি তারা ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর মধ্যেও জায়গা করে নিয়েছে। ২০২৩ সালের Champions League জয় ও Treble সেই যাত্রার সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। এখন সবার নজর ২০২৬ সালের নতুন Maresca যুগের দিকে।

Manchester City: স্টেডিয়াম, জার্সি, ব্যাজ ও বর্তমান দল

Manchester City-এর নাম এখন বিশ্ব ফুটবলে বেশ পরিচিত। ক্লাবটির পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ম্যানচেস্টার শহর, Sky Blue জার্সি, Etihad Stadium এবং দীর্ঘ ফুটবল ইতিহাস। ২০২৩ সালে প্রথম Champions League জয়ের পর ক্লাবটির সাফল্য আরও বড় হয়। ২০২৩–২৪ মৌসুমে টানা চতুর্থ Premier League জিতে নতুন রেকর্ডও গড়ে City।

Etihad Stadium

Manchester City-এর বর্তমান ঘরের মাঠ Etihad Stadium। তবে ক্লাবটির পুরোনো ইতিহাসের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে আছে Maine Road। ১৯২৩ সালে Hyde Road ছেড়ে City Maine Road-এ যায়। সেখানে প্রায় ৮৫ হাজার দর্শক খেলা দেখতে পারতেন। ১৯৩৭ সালের প্রথম ইংলিশ লীগ শিরোপাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এই মাঠে এসেছে।

২০০৩ সালে Manchester City Maine Road ছেড়ে Etihad Stadium-এ চলে আসে। স্টেডিয়ামটি মূলত ২০০২ Commonwealth Games-এর জন্য তৈরি হয়েছিল। পরে ফুটবলের উপযোগী করে এটিকে নতুনভাবে সাজানো হয়।

২০২৬ সালে Etihad Stadium-এ বড় পরিবর্তন এসেছে। North Stand সম্প্রসারণের পাশাপাশি Etihad Campus-এ Sky Bar, Roof Walk, হোটেল, জাদুঘর, ক্লাব শপ ও খাবারের জায়গাসহ বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে Etihad এখন শুধু ম্যাচ দেখার মাঠ নয়, বড় একটি ক্রীড়া ও বিনোদন কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠছে।

Sky Blue জার্সি ও ব্যাজ

Manchester City-এর সবচেয়ে পরিচিত পরিচয় হলো Sky Blue জার্সি। এই হালকা নীল রং বহু বছর ধরে ক্লাবটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বিভিন্ন সময়ে সাদা, কালো ও নেভি রং ব্যবহার হলেও মূল জার্সিতে Sky Blue-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ক্লাবের জার্সিতে পুরোনো sash নকশারও ইতিহাস আছে। ২০২৫–২৬ মৌসুমে Sky Blue জার্সির সঙ্গে সাদা sash ফিরিয়ে এনে পুরোনো দিনের স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছিল। ২০২৬–২৭ মৌসুমের জার্সিতেও Sky Blue-এর আধুনিক নকশা রাখা হয়েছে।

Manchester City-এর ব্যাজও সময়ের সঙ্গে বদলেছে। বর্তমান গোলাকার ব্যাজে ম্যানচেস্টার শহরের পরিচয়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক রয়েছে। জাহাজ শহরের বাণিজ্যিক ইতিহাসকে বোঝায়, তিনটি নদী Manchester-এর সঙ্গে সম্পর্কিত এবং লাল গোলাপ Lancashire-এর ঐতিহ্য তুলে ধরে। ব্যাজে ১৮৯৪ সালও রয়েছে, যে বছর ম্যানচেস্টার সিটি নামটি গ্রহণ করা হয়।

City Football Group

Manchester City-এর বর্তমান কাঠামো বুঝতে City Football Group (CFG) গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৩ সালে গঠিত এই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংগঠনের অধীনে বিভিন্ন দেশের একাধিক ক্লাব রয়েছে। Manchester City-এর পাশাপাশি Girona, New York City FC, Melbourne City, Palermo, Lommel, Troyes, Bahia, Shenzhen Peng City ও Yokohama F. Marinos-এর মতো ক্লাব এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত।

CFG-এর এই কাঠামোর ফলে বিভিন্ন দেশের ক্লাবগুলোর মধ্যে খেলোয়াড় উন্নয়ন ও ফুটবল নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

২০২৬/২৭ মৌসুমের দল

২০২৬/২৭ মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটি নতুন ম্যানেজারের অধীনে মাঠে নামছে। দীর্ঘ সময় Pep Guardiola-এর অধীনে থাকার পর Enzo Maresca ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়েছেন।

দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন Erling Haaland, Rodri, Phil Foden, Rúben Dias, Josko Gvardiol, Gianluigi Donnarumma, Jeremy Doku, Savinho, Rayan Cherki, Tijjani Reijnders, Omar MarmoushMatheus Nunes

Haaland গোল করার জন্য দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন। Rodri মাঝমাঠে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখেন। আর Academy থেকে উঠে আসা Phil Foden এখন City-এর অন্যতম পরিচিত মুখ। ২০২৬ সালে Foden-এর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিও করা হয়েছে।

নতুন মৌসুমে Elliot Anderson ও তরুণ Jeremy Monga-র মতো খেলোয়াড় দলে যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে Bernardo Silva, John Stones ও Nathan Aké ক্লাব ছেড়েছেন। ফলে Maresca-কে নতুনভাবে দল সাজাতে হচ্ছে।

Enzo Maresca-এর নতুন অধ্যায়

২০২৬ সালের ২৯ জুন Enzo Maresca Manchester City-এর দায়িত্ব নেন। তিনি আগে City-এর Academy পর্যায়ে কাজ করেছেন এবং ২০২২–২৩ মৌসুমে Guardiola-এর সহকারীও ছিলেন। সেই মৌসুমেই City Premier League, FA Cup ও Champions League জিতে Treble সম্পন্ন করে।

Maresca-এর কাছে ক্লাবের পরিবেশ পরিচিত। তবে Guardiola-এর পর একই পর্যায়ের সাফল্য ধরে রাখাই তাঁর জন্য বড় পরীক্ষা।

বড় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সাফল্য

Manchester City-এর সবচেয়ে বড় স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী Manchester United। দুই দলের ম্যাচ Manchester Derby নামে পরিচিত। একই শহরের দুই ক্লাবের এই লড়াই ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণ।

আধুনিক সময়ে Liverpool-এর সঙ্গেও City-এর প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক বেড়েছে। Premier League শিরোপার জন্য দুই দল একাধিক মৌসুমে খুব কাছাকাছি লড়াই করেছে। ২০১৮–১৯ মৌসুমে City ৯৮ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়, Liverpool শেষ করে ৯৭ পয়েন্টে।

Manchester City-এর বড় অর্জনের মধ্যে রয়েছে ২০১৭–১৮ মৌসুমে ১০০ পয়েন্ট, টানা চার Premier League শিরোপা, ২০২৩ সালের Treble এবং প্রথম Champions League জয়। একই বছরে UEFA Super Cup ও FIFA Club World Cup-ও জেতে City। ২০২৫–২৬ মৌসুমে League Cup ও FA Cup জিতে নতুন যুগের শুরুতেও তারা সাফল্যের ছাপ রেখেছে।

Manchester City সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত FAQ

Manchester City-এর পুরো নাম কী?

ক্লাবটির পুরো নাম Manchester City Football Club

Manchester City কবে প্রতিষ্ঠিত?

ক্লাবটির শিকড় ১৮৮০ সালের St Mark’s Church-এর ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত। ১৮৯৪ সালে Manchester City Football Club নামটি গ্রহণ করা হয়।

Manchester City-এর বর্তমান স্টেডিয়ামের নাম কী?

বর্তমান স্টেডিয়ামের নাম Etihad Stadium

ম্যানচেস্টার সিটি আগে কোথায় খেলত?

২০০৩ সালে Etihad Stadium-এ যাওয়ার আগে Manchester City দীর্ঘ সময় Maine Road-এ খেলেছে।

Manchester City-এর জার্সির মূল রং কী?

ক্লাবটির সবচেয়ে পরিচিত জার্সির রং Sky Blue। সাধারণত এর সঙ্গে সাদা রংও ব্যবহার করা হয়।

ম্যানচেস্টার সিটি প্রথম Champions League কবে জেতে?

২০২৩ সালে Inter Milan-কে ১–০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার Champions League জেতে।

Manchester City-এর ২০২৬ সালের ম্যানেজার কে?

২০২৬/২৭ মৌসুমে Manchester City-এর ম্যানেজার Enzo Maresca। তিনি তিন বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিয়েছেন।

Manchester City-এর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে?

Manchester United ঐতিহাসিকভাবে Manchester City-এর প্রধান স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী। দুই দলের ম্যাচ Manchester Derby নামে পরিচিত। Liverpool-এর সঙ্গেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে Premier League শিরোপা নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়েছে।

City Football Group কী?

City Football Group হলো Manchester City-কেন্দ্রিক একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল সংগঠন, যার অধীনে বা অংশীদারিত্বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের একাধিক ক্লাব রয়েছে।

Manchester City-এর ইতিহাসে সাফল্যের পাশাপাশি কঠিন সময়ও এসেছে। ১৮৮০ সালে যাত্রা শুরু করা ক্লাবটি ধীরে ধীরে ইংল্যান্ডের অন্যতম শক্তিশালী দল হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর ক্লাবটির সাফল্য অনেক বেড়েছে।

Pep Guardiola-এর সময়ে Premier League, Champions League, FA Cupসহ একাধিক বড় ট্রফি জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০২৩ সালে প্রথমবার Champions League জয় তাদের ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন।

২০২৬ সালে Pep Guardiola-এর পর Enzo Maresca নতুন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। এখন তাঁর নেতৃত্বে ম্যানচেস্টার সিটি কীভাবে নিজেদের সাফল্যের ধারা ধরে রাখে, সেটিই দেখার বিষয়।

Table of Contents

Football Times Live
Football Times Live
আমি Football Times Live-এর একজন লেখক। বিশ্ব ফুটবলের সর্বশেষ খবর, ট্রান্সফার আপডেট, ম্যাচ বিশ্লেষণ, খেলোয়াড় ও ক্লাব সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য তথ্য সহজ বাংলায় প্রকাশ করাই আমার লক্ষ্য। পাঠকদের সঠিক ও হালনাগাদ ফুটবল তথ্য পৌঁছে দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments